মেনু নির্বাচন করুন

কৃত্রিম প্রজননকেন্দ্র

কাশিল ইউনিয়নের উৎপাদিত শস্যের মধ্যেউল্লেখযোগ্য শস্য হচ্ছে ধান। ধান ওপাঠের পরেই আলু, মাছের স্থান। এরপরে যেসব কৃষিজাতদ্রব্যের নাম করতে হয়সেগুলো হচ্ছে মাসকলাই, মটর, ছোলা ইত্যাদি ডাল জাতীয়শস্য। তৈল বীজের মধ্যেরয়েছে সরিষা। কাউন,শস্য উৎপন্নহয়। এখানকার উল্লেখযোগ্য ফল হচ্ছে কলা, তরমুজ, ক্ষীরা ইত্যাদি।এছাড়াও এ জেলায় আম, জাম,কাঁঠাল, পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, তাল, খেজুর, জাম্বুরা(বাতাবি লেবু), লেবু, তেঁতুল, কামরাঙ্গা, জলপাই, বেল, ডালিম, আতাইত্যাদি ফলও প্রচুর পরিমানে উৎপন্ন হয়। মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, ধনে, আদাইত্যাদি মসলা জাতীয় শস্য, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, উচ্ছে, করলা, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, ধুন্দুল, শিম, বরবটি, কাকরল, ঢেড়শ, গোল আলু, বেগুন, টমেটো ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি সবজি প্রচুর পরিমানেউৎপাদিত হয়।

ইত্যাদি উৎপাদনের জন্য কৃত্রিম প্রজনন এর প্রয়োজন হয় না। এসব প্রাকৃতিক ভাবে প্রজনন ঘটে।

 

বর্তমানেদেশে গবাদী পশুর দ্রুত উন্নয়নের লক্ষে ব্যাপক ভাবে  প্রজনন পদ্ধতি চালুআছে। এতে অতি অল্প সময়ে কম খরচে এবং ব্যাপক ভাবে গবাদী পশুর উন্নত জাত তৈরিকরা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে কৃত্রিম উপায়ে উন্নত জাতের ষাড় থেকে বীজ বা সীমেন সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষন করা হয়। অত:পর সে  সীমেন বৈজ্ঞানিকউপায়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে বকনা বা গাভীকে প্রজনন করা হয়। ফলে গাভীগর্ভবর্তী হয় এবং বাচ্চা দেয়। এ সম্পূর্ন প্রক্রিয়ায় হল কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি।  এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত বাচ্চার মধ্যে উন্নত জাতের ষাড়ের প্রায় ৫০ ভাগ গুনাগুনথাকতে পারে। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রজননের দ্বারা ব্যাপক হারে দেশী গবাদীপশুর জাত উন্নয়ন করা সম্ভব এভাবে প্রজনন সময় হলে গাভীকে প্রজননের পুর্বেভালভাবে পরীক্ষা করে প্রজনন করা বিজ্ঞান সম্মত।

দেশীবকনা সাধারনত আড়াই থেকে তিন মাস বৎসর বয়সে প্রজননের উপযুক্ত হয়। তবে প্রথম প্রজনন উদ্যমের ২-৩ মাস পরে প্রজনন করানো ভাল এতে গাভীর জীবনচক্রে  বাচ্চাও দুধ বেশি পাওয়া যায়।

 

কৃত্রিম প্রজননের উদেশ্য

১.কম সময়ে গরুর জাত উন্নত করা।

২. অধিক কর্মসংস্থানের সুবিধা।

৩.দুধ ও মাংসের ঘাটতি পুরন করা।

৪. আমিষ খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

 

কৃত্রিমপ্রজননের সুবিধা

১. একটি ষাঁড় থেকে প্রতিবারের সংগৃহিতবীর্য প্রক্রিয়াজাত করে ৩০০-৪০০টি গাভীকে প্রজনন করা যায়।

২. গাভীরগর্ভধারনের হার বৃদ্ধি পায়।

৩. বেশি ষাঁড় পোষার দরকার হয়না,ফলে ব্যয়হ্রাস পায়।

৪. ভিন্ন ভিন্ন জাত বা প্রজাতির মধ্যে প্রজনন করে উন্নতজাত তৈরী করা যায়।

৫. উন্নত জাতের ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করে ভালজাতের গরু পাওয়া যায়।

 

কৃত্রিম প্রজননের অসুবিধা

১.দক্ষ লোক দরকার হয়।

২. সুক্ষ ভাবে গরমের সময় নির্ণয় করতে হয়।

৩.ঠিকমতষাঁড়ের বীর্য বাছাই নাহলে কৃত্রিম প্রজননের উদেশ্য ব্যহত হয়।

৪. গরমগাভী সনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

প্রজননে গাভীর উপযুক্ত বয়স

১.দেশী জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ২-২.৫ বছর বয়সে।

২.উন্নত সংকর জাতের বকনা প্রথম প্রজননের উপযুক্ত হয় ১.৫-২ বছর বয়সে।

গাভী গরমহওয়া বা ঋতুকালের লক্ষন

১.গাভীর অস্থিরতা বাড়ে এবংগাভী ঘন ঘন ডাকে।

২. ঘন ঘন প্রস্রাব করে এব গাভীর দুথ কমে যায়।

 

পশুগর্ভবতী হওয়ার লক্ষন

১. ঋতু চক্র বন্ধ হয়ে যায়।

২.গাভী আর ডাকে আসে না বা গরম হয়না

 

কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ড কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের ২নং কক্ষে অবস্থিত।

ক্রঃনং

কৃত্রিম প্রজননের নাম

প্রজনন কেন্দ্রের নাম

ঠিকানা

মোবাইল নং

০১

মো: খন্দকার ওয়াদুদ হোসেন

কাশিল কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ড

কাশিল ইউনিয়ন পরিষদ                   01747181280
application/msword icon